ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেকোনো উপায়ে গ্রিনল্যান্ড ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসন ডেস্ক :: গ্রিনল্যান্ড যেকোনো উপায়ে ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মার্কিন কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে এ ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা, এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ডের প্রয়োজন। ’

তিনি বলেন, ‘আমরা এটি দখলের জন্য জড়িত সকলের সঙ্গে কাজ করছি, তবে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য আমাদের এটি সত্যিই প্রয়োজন। আমি মনে করি, আমরা এটি কোনও না কোনওভাবে পেতে যাচ্ছি। আমরা এটি অর্জন করতে যাচ্ছি। ’

ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের জনগণের প্রতি তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আপনার ভবিষ্যত নির্ধারণের অধিকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি। আপনারা যদি চান, আমরা আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাই। ’

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। ১৯৭৯ সাল থেকে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আর্কটিক এবং আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত, এটি খনিজ সমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে আর্কটিকের মধ্যে অবস্থিত। বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ এবং অবস্থানের কারণে এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রকে আকৃষ্ট করেছে।

তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড উভয়ই এই দ্বিপটি বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ডেনিশ সরকার দ্বীপের ওপর তাদের অব্যাহত সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে।

জানুয়ারিতে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ জনসংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা করে।

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে ২০ কিলোমিটার যানজট-ধীরগতি

যেকোনো উপায়ে গ্রিনল্যান্ড ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

আপডেট সময় ০২:৩০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

অভিবাসন ডেস্ক :: গ্রিনল্যান্ড যেকোনো উপায়ে ‘দখল’ করবে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৪ মার্চ) মার্কিন কংগ্রেসের একটি যৌথ অধিবেশনে এ ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু।

কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনের ভাষণে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা, এমনকি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ডের প্রয়োজন। ’

তিনি বলেন, ‘আমরা এটি দখলের জন্য জড়িত সকলের সঙ্গে কাজ করছি, তবে বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য আমাদের এটি সত্যিই প্রয়োজন। আমি মনে করি, আমরা এটি কোনও না কোনওভাবে পেতে যাচ্ছি। আমরা এটি অর্জন করতে যাচ্ছি। ’

ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের জনগণের প্রতি তার সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আপনার ভবিষ্যত নির্ধারণের অধিকারকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি। আপনারা যদি চান, আমরা আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত জানাই। ’

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। ১৯৭৯ সাল থেকে এটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। আর্কটিক এবং আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত, এটি খনিজ সমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে আর্কটিকের মধ্যে অবস্থিত। বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ এবং অবস্থানের কারণে এই দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রকে আকৃষ্ট করেছে।

তবে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড উভয়ই এই দ্বিপটি বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ডেনিশ সরকার দ্বীপের ওপর তাদের অব্যাহত সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে।

জানুয়ারিতে পরিচালিত একটি জরিপে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ জনসংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিরোধিতা করে।