ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ’র সমর্থন প্যারিসে শুভ দাসের ফরাসি ভাষা শিক্ষার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন সীমান্তপথে নিহত অভিবাসীদের স্মরণে প্যারিসে স্মরণ সভা খুলনায় যুবককে মাথায় গুলি করে হত্যা ‘সাফ’র নবীন স্বেচ্ছাসেবক এবং সদস্য সংগ্রহ-২০২৬ অনুষ্ঠিত প্রবাসে সাংবাদিকতার অগ্রদূত লুৎফুর রহমান বাবু : শুভ জন্মদিন মুস্তাফিজ শফি দেশ রূপান্তরের সম্পাদক হলেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব সাত্তার আলী সুমনের মায়ের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে ক্যানভাস পাপেট থিয়েটারের ১৩ বছরের সৃজনযাত্রা উদযাপন ওসমানীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রবীণ কর্ণারের উদ্বোধন

ব্যস্ততা বাধা নয়, সময়ই উপহার: অটিজম শিশুদের পাশে বাবা-মা

রিফাত আরা রিফা : অটিজম শিশুদের বিকাশে সময়, মনোযোগ ও ভালোবাসা অতীব জরুরি।
তারা আচরণগত ও সংবেদনশীলতায় আলাদা, তাই তাদের প্রয়োজন বাড়তি ধৈর্য্য ও বোঝাপড়া।
আধুনিক জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে সন্তানকে মানসম্মত সময় দেওয়া সম্ভব।

১. প্রতিদিন মাত্র ১৫-৩০ মিনিট একান্ত সময়:
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন।মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ ছাড়া।একসঙ্গে খেলুন, আঁকুন, গল্প বলুন বা তার পছন্দের কিছু করুন।

২. রুটিন তৈরি করুন:
প্রতিদিন একই সময়ে সময় দিন,যেমন সকালে বা ঘুমানোর আগে।অটিজম শিশুদের জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা মানসিক স্বস্তি দেয়।

৩. দৈনন্দিন কাজে সন্তানকে যুক্ত করুন:
রান্না, বাজার বা ঘরগোছার মতো কাজে তাকে ছোট দায়িত্ব দিন।এতে সময়ও কাটবে, আবার সে শিখবে সামাজিকতা ও দায়িত্ববোধ।

৪. আনন্দময় ও অর্থবহ সময় দিন:
তার আগ্রহকে গুরুত্ব দিন, আবেগ বোঝার চেষ্টা করুন।বোঝাপড়াই তার মনে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা তৈরি করবে।

৫. সহযোগিতা নিন:
সহায়তা নিন, একা নন আপনি।স্থানীয় সাপোর্ট গ্রুপ, অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হোন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।যেমন:স্পিচ থেরাপিস্ট,বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ইত্যাদি।

৬. নিজের যত্ন নিন:
নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অটিজম শিশুর দেখভালে গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিদিন নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন।হাটাহাটি, মেডিটেশন, পছন্দের কাজ করুন।

অটিজম নিয়ে জীবনযাপন কঠিন, তবে ভালোবাসা ও ধৈর্য্যই পারে এ পথ সহজ করতে। ব্যস্ততার মাঝেও সচেতন ও পরিকল্পিত সময় দেওয়া যায়। বাবা-মায়ের ভালোবাসা, সময় ও সহানুভূতিই একটি অটিজম আক্রান্ত শিশুর জীবনের সবচেয়ে বড় সহায়।

পরামর্শদাতা : এলাহো অটিজম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ইউএসএ

ট্যাগস :

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ’র সমর্থন

ব্যস্ততা বাধা নয়, সময়ই উপহার: অটিজম শিশুদের পাশে বাবা-মা

আপডেট সময় ০৩:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

রিফাত আরা রিফা : অটিজম শিশুদের বিকাশে সময়, মনোযোগ ও ভালোবাসা অতীব জরুরি।
তারা আচরণগত ও সংবেদনশীলতায় আলাদা, তাই তাদের প্রয়োজন বাড়তি ধৈর্য্য ও বোঝাপড়া।
আধুনিক জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে সন্তানকে মানসম্মত সময় দেওয়া সম্ভব।

১. প্রতিদিন মাত্র ১৫-৩০ মিনিট একান্ত সময়:
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন।মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ ছাড়া।একসঙ্গে খেলুন, আঁকুন, গল্প বলুন বা তার পছন্দের কিছু করুন।

২. রুটিন তৈরি করুন:
প্রতিদিন একই সময়ে সময় দিন,যেমন সকালে বা ঘুমানোর আগে।অটিজম শিশুদের জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা মানসিক স্বস্তি দেয়।

৩. দৈনন্দিন কাজে সন্তানকে যুক্ত করুন:
রান্না, বাজার বা ঘরগোছার মতো কাজে তাকে ছোট দায়িত্ব দিন।এতে সময়ও কাটবে, আবার সে শিখবে সামাজিকতা ও দায়িত্ববোধ।

৪. আনন্দময় ও অর্থবহ সময় দিন:
তার আগ্রহকে গুরুত্ব দিন, আবেগ বোঝার চেষ্টা করুন।বোঝাপড়াই তার মনে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা তৈরি করবে।

৫. সহযোগিতা নিন:
সহায়তা নিন, একা নন আপনি।স্থানীয় সাপোর্ট গ্রুপ, অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হোন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।যেমন:স্পিচ থেরাপিস্ট,বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ইত্যাদি।

৬. নিজের যত্ন নিন:
নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অটিজম শিশুর দেখভালে গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিদিন নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন।হাটাহাটি, মেডিটেশন, পছন্দের কাজ করুন।

অটিজম নিয়ে জীবনযাপন কঠিন, তবে ভালোবাসা ও ধৈর্য্যই পারে এ পথ সহজ করতে। ব্যস্ততার মাঝেও সচেতন ও পরিকল্পিত সময় দেওয়া যায়। বাবা-মায়ের ভালোবাসা, সময় ও সহানুভূতিই একটি অটিজম আক্রান্ত শিশুর জীবনের সবচেয়ে বড় সহায়।

পরামর্শদাতা : এলাহো অটিজম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ইউএসএ


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/obhibason/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481