ঢাকা ০৪:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এইচএসসির ফলাফল:  ব্যর্থতার দায় কি শুধু শিক্ষার্থীদের? স্তন ক্যানসার নিয়ে সংকোচ ভেঙে সচেতনতার আহ্বান: “প্রতিরোধই শক্তি, সচেতনতাই জীবন বাঁচায়’’ সিলেটের সীমান্তজুড়ে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য: পান্তুমাই, লক্ষ্মণছড়া, বিছানাকান্দি ফ্রান্সে ‘সাফ সুশি ফরমাসিঁও’ প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রথম সেশন সম্পন্ন ফ্রান্সে বিজয়ী বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধিদের সংবর্ধনা প্রদান কথাকলি সিলেটের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি টুকু, সম্পাদক সুমন নতুন সরকার এবং পর্যটনের প্রত্যাশা প্যারিসে আন্তর্জাতিক কবিতা সন্ধ্যা ‘স্মৃতিতে স্মরণে প্রিয় জন্মভূমি’ ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল প্যারিসে একক আবৃত্তিতে মুগ্ধতা ছড়ালেন সাইফুল ইসলাম

ব্যস্ততা বাধা নয়, সময়ই উপহার: অটিজম শিশুদের পাশে বাবা-মা

রিফাত আরা রিফা : অটিজম শিশুদের বিকাশে সময়, মনোযোগ ও ভালোবাসা অতীব জরুরি।
তারা আচরণগত ও সংবেদনশীলতায় আলাদা, তাই তাদের প্রয়োজন বাড়তি ধৈর্য্য ও বোঝাপড়া।
আধুনিক জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে সন্তানকে মানসম্মত সময় দেওয়া সম্ভব।

১. প্রতিদিন মাত্র ১৫-৩০ মিনিট একান্ত সময়:
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন।মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ ছাড়া।একসঙ্গে খেলুন, আঁকুন, গল্প বলুন বা তার পছন্দের কিছু করুন।

২. রুটিন তৈরি করুন:
প্রতিদিন একই সময়ে সময় দিন,যেমন সকালে বা ঘুমানোর আগে।অটিজম শিশুদের জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা মানসিক স্বস্তি দেয়।

৩. দৈনন্দিন কাজে সন্তানকে যুক্ত করুন:
রান্না, বাজার বা ঘরগোছার মতো কাজে তাকে ছোট দায়িত্ব দিন।এতে সময়ও কাটবে, আবার সে শিখবে সামাজিকতা ও দায়িত্ববোধ।

৪. আনন্দময় ও অর্থবহ সময় দিন:
তার আগ্রহকে গুরুত্ব দিন, আবেগ বোঝার চেষ্টা করুন।বোঝাপড়াই তার মনে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা তৈরি করবে।

৫. সহযোগিতা নিন:
সহায়তা নিন, একা নন আপনি।স্থানীয় সাপোর্ট গ্রুপ, অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হোন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।যেমন:স্পিচ থেরাপিস্ট,বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ইত্যাদি।

৬. নিজের যত্ন নিন:
নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অটিজম শিশুর দেখভালে গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিদিন নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন।হাটাহাটি, মেডিটেশন, পছন্দের কাজ করুন।

অটিজম নিয়ে জীবনযাপন কঠিন, তবে ভালোবাসা ও ধৈর্য্যই পারে এ পথ সহজ করতে। ব্যস্ততার মাঝেও সচেতন ও পরিকল্পিত সময় দেওয়া যায়। বাবা-মায়ের ভালোবাসা, সময় ও সহানুভূতিই একটি অটিজম আক্রান্ত শিশুর জীবনের সবচেয়ে বড় সহায়।

পরামর্শদাতা : এলাহো অটিজম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ইউএসএ

ট্যাগস :

এইচএসসির ফলাফল:  ব্যর্থতার দায় কি শুধু শিক্ষার্থীদের?

ব্যস্ততা বাধা নয়, সময়ই উপহার: অটিজম শিশুদের পাশে বাবা-মা

আপডেট সময় ০৩:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

রিফাত আরা রিফা : অটিজম শিশুদের বিকাশে সময়, মনোযোগ ও ভালোবাসা অতীব জরুরি।
তারা আচরণগত ও সংবেদনশীলতায় আলাদা, তাই তাদের প্রয়োজন বাড়তি ধৈর্য্য ও বোঝাপড়া।
আধুনিক জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পরিকল্পনা ও সচেতনতা থাকলে সন্তানকে মানসম্মত সময় দেওয়া সম্ভব।

১. প্রতিদিন মাত্র ১৫-৩০ মিনিট একান্ত সময়:
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় শুধু সন্তানের জন্য রাখুন।মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ ছাড়া।একসঙ্গে খেলুন, আঁকুন, গল্প বলুন বা তার পছন্দের কিছু করুন।

২. রুটিন তৈরি করুন:
প্রতিদিন একই সময়ে সময় দিন,যেমন সকালে বা ঘুমানোর আগে।অটিজম শিশুদের জন্য পূর্বানুমানযোগ্যতা মানসিক স্বস্তি দেয়।

৩. দৈনন্দিন কাজে সন্তানকে যুক্ত করুন:
রান্না, বাজার বা ঘরগোছার মতো কাজে তাকে ছোট দায়িত্ব দিন।এতে সময়ও কাটবে, আবার সে শিখবে সামাজিকতা ও দায়িত্ববোধ।

৪. আনন্দময় ও অর্থবহ সময় দিন:
তার আগ্রহকে গুরুত্ব দিন, আবেগ বোঝার চেষ্টা করুন।বোঝাপড়াই তার মনে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা তৈরি করবে।

৫. সহযোগিতা নিন:
সহায়তা নিন, একা নন আপনি।স্থানীয় সাপোর্ট গ্রুপ, অনলাইন কমিউনিটিতে যুক্ত হোন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।যেমন:স্পিচ থেরাপিস্ট,বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ইত্যাদি।

৬. নিজের যত্ন নিন:
নিজের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা অটিজম শিশুর দেখভালে গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিদিন নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন।হাটাহাটি, মেডিটেশন, পছন্দের কাজ করুন।

অটিজম নিয়ে জীবনযাপন কঠিন, তবে ভালোবাসা ও ধৈর্য্যই পারে এ পথ সহজ করতে। ব্যস্ততার মাঝেও সচেতন ও পরিকল্পিত সময় দেওয়া যায়। বাবা-মায়ের ভালোবাসা, সময় ও সহানুভূতিই একটি অটিজম আক্রান্ত শিশুর জীবনের সবচেয়ে বড় সহায়।

পরামর্শদাতা : এলাহো অটিজম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, ইউএসএ