অভিবাসন ডেস্ক :চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে ক্যানভাস পাপেট থিয়েটারের ১৩ বছরের সৃজনযাত্রা উদযাপন
চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে ক্যানভাস পাপেট থিয়েটারের ১৩ বছরের সৃজনযাত্রা উপলক্ষে “পুতুল নাট্যে প্রতিফলিত হোক জীবনের উদ্ভাস” এই শ্লোগানকে ধারণ ২১ জানুয়ারী বুধবার ২০২৬ ইং অনুষ্ঠিত হলো সম্মাননা প্রদান, কর্মশালা-পরবর্তী পাপেট নাটক ‘ফড়িং রাজা’-এর প্রদর্শনী এবং সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে পাপেট শিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য ড. রশীদ হারুন, অধ্যাপক, নাট্য ও নাট্যতত্ত্ব বভিাগ, প্রতিষ্ঠাতাও নির্বহী, বাংলাদেশ পুতুলনাট্য গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। এবং শিশির দত্ত নাট্যব্যক্তিত্ব, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব থিয়েটার আর্টস (বিটা) কে সম্মাননা প্রধান করা হয় । আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. কুন্তল বড়ুয়া, অধ্যাপক, নাট্য কলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ জেলা কালচারাল অফিসার, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী ও মোহাম্মদ শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম গ্রুপ থিয়েটার ফোরাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ কামরুল ইসলাম, দলীয় প্রধান, ক্যানভাস পাপেট থিয়েটার ।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, পাপেট থিয়েটার একটি শক্তিশালী বিকল্প নাট্যধারা, যা শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী দর্শকের মধ্যে সামাজিক সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ক্যানভাস পাপেট থিয়েটার দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নিষ্ঠা, সাধনা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে এই শিল্পধারাকে টিকিয়ে রাখা এবং বিস্তারে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে।
অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে কর্মশালা-ভিত্তিক পাপেট নাটক ‘ফড়িং রাজা’ মঞ্চস্থ হয়। নাটকটি প্রকৃতি, পরিবেশ, ক্ষমতা ও নীরব প্রতিবাদের শিল্পিত রূপক হিসেবে দর্শকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে। পরে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানটি চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পাপেট নাট্যের গুরুত্ব ও সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে বলে মন্তব্য করেন অতিথিরা।
নিজস্ব সংবাদ : 













