ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

হাজতখানার টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত কামরুল ইসলাম

অভিবাসন ডেস্ক :: সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম হাজতখানার টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত হয়েছেন। দুদকের এক মামলার হাজিরার জন্য আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় তাকে। পরে সেখানেই টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত হন তিনি।

সোমবার (২৬ মে) কামরুল ইসলামের আইনজীবী নাসিম মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আইনজীবী নাসিম মাহমুদ বলেন, ‘গত নভেম্বর থেকে উনি জেলহাজতে আটকে আছেন। ওনার ওজন কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। উনি বেশ অসুস্থ, পাকস্থলীর ক্যানসারে আক্রান্ত। আজ হাজতখানার টয়লেটে পড়ে গিয়ে মাথার পেছনের সাইডে আঘাত পাওয়ার পর রক্তাক্ত হয়েছেন। হাজতখানায় মাথায় ব্যান্ডেজ দিয়ে কেরাণীগঞ্জ কারাগারের হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, কামরুল ইসলামের ১৫টি ব্যাংক হিসাবে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা হয়। অন্যদিকে এসব ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ১৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। বর্তমানে জমা আছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এই মন্ত্রীর নামে মামলা করে দুদক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের সীমান্তজুড়ে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য: পান্তুমাই, লক্ষ্মণছড়া, বিছানাকান্দি

হাজতখানার টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত কামরুল ইসলাম

আপডেট সময় ০২:১৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

অভিবাসন ডেস্ক :: সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম হাজতখানার টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত হয়েছেন। দুদকের এক মামলার হাজিরার জন্য আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় তাকে। পরে সেখানেই টয়লেটে পড়ে রক্তাক্ত হন তিনি।

সোমবার (২৬ মে) কামরুল ইসলামের আইনজীবী নাসিম মাহমুদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আইনজীবী নাসিম মাহমুদ বলেন, ‘গত নভেম্বর থেকে উনি জেলহাজতে আটকে আছেন। ওনার ওজন কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। উনি বেশ অসুস্থ, পাকস্থলীর ক্যানসারে আক্রান্ত। আজ হাজতখানার টয়লেটে পড়ে গিয়ে মাথার পেছনের সাইডে আঘাত পাওয়ার পর রক্তাক্ত হয়েছেন। হাজতখানায় মাথায় ব্যান্ডেজ দিয়ে কেরাণীগঞ্জ কারাগারের হাসপাতালে পাঠানো হয়।’

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, কামরুল ইসলামের ১৫টি ব্যাংক হিসাবে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা হয়। অন্যদিকে এসব ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ১৩ কোটি ২২ লাখ টাকা। বর্তমানে জমা আছে ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এই মন্ত্রীর নামে মামলা করে দুদক।