ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় দগ্ধ বাংলাদেশি শ্রমিক

অভিবাসন ডেস্ক :: মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর প্রদেশের সুঙ্গাই বুলোহ এলাকায় তিনটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাংলাদেশি শ্রমিক গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি সুঙ্গাই বুলোহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেশটির সরকারি গণমাধ্যম বারনামা সেলাঙ্গর দমকল ও উদ্ধার বিভাগের (জেবিপিএম) সহকারী পরিচালক আহমদ মুখলিস মোকতারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান দমকলকর্মীরা। সুঙ্গাই বুলোহ, বুকিত জেলুতুং, দামানসারা ও সেলায়াং স্টেশন থেকে দমকল বাহিনী মাত্র ১৭ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

দগ্ধ বাংলাদেশি শ্রমিকের নাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি মালয়েশিয়া। তবে তিনি একজন বাংলাদেশি নাগরিক সেটি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পত্রিকাগুলো। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগুনে একটি টেক্সটাইল ও রিসাইক্লিং কারখানার ৮০ শতাংশ, একটি ধাতব কারখানার ৭০ শতাংশ এবং একটি কাঠের কারখানার ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সে বিজয়ী বাংলাদেশি জনপ্রতিনিধিদের সংবর্ধনা প্রদান

মালয়েশিয়ায় দগ্ধ বাংলাদেশি শ্রমিক

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫

অভিবাসন ডেস্ক :: মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর প্রদেশের সুঙ্গাই বুলোহ এলাকায় তিনটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক বাংলাদেশি শ্রমিক গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি সুঙ্গাই বুলোহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেশটির সরকারি গণমাধ্যম বারনামা সেলাঙ্গর দমকল ও উদ্ধার বিভাগের (জেবিপিএম) সহকারী পরিচালক আহমদ মুখলিস মোকতারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান দমকলকর্মীরা। সুঙ্গাই বুলোহ, বুকিত জেলুতুং, দামানসারা ও সেলায়াং স্টেশন থেকে দমকল বাহিনী মাত্র ১৭ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

দগ্ধ বাংলাদেশি শ্রমিকের নাম তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি মালয়েশিয়া। তবে তিনি একজন বাংলাদেশি নাগরিক সেটি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পত্রিকাগুলো। দেশটির গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আগুনে একটি টেক্সটাইল ও রিসাইক্লিং কারখানার ৮০ শতাংশ, একটি ধাতব কারখানার ৭০ শতাংশ এবং একটি কাঠের কারখানার ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে।

অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।