ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ওসমানীনগরে খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্যারিসে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে সাফ’র ঈদ বাণিজ্য মেলা প্যারিস বাংলা প্রেসক্লাব ফ্রান্স’র আয়োজনে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত প্যারিসে ‘নারীকথা’: সম্মাননা পেলেন সংস্কৃতিজন নীলুফার জাহান ও হাসনাত জাহান ভিন্যু-সুর-সেন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে জনসভা ফ্রান্সে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সম্মানে শাহ গ্রুপের ইফতার মাহফিল স্মৃতিতে টাংগুয়ার হাওর! সাফ’র সহায়তায় শেরপুরে এক নারীর স্বপ্নের ঘর হস্তান্তর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ’র সমর্থন প্যারিসে শুভ দাসের ফরাসি ভাষা শিক্ষার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের ‘আশ্রয় আবেদন’ স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

অভিবাসন ডেস্ক :: ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করার ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের ‘আশ্রয় আবেদন’ স্থগিত করেছে। এর ফলে এখন থেকে আশ্রয় আবেদন অনুমোদন বা বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর পরিচালক জোসেফ এডলো এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার এক্স-এ প্রকাশিত এক পোস্টে এডলো বলেন, এই বিরতি চলবে “যতক্ষণ না আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে, প্রত্যেক বিদেশির সর্বোচ্চ মাত্রায় যাচাই ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।’ খবর বিবিসির

এই ঘোষণা আসে কয়েক ঘণ্টা পর, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে ‘তৃতীয় বিশ্বের’ দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত হবে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, বুধবার গুলিতে আহত এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মারা গেছেন। এই ঘটনার জন্য এক আফগানকে দায়ী করা হয়েছে।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একটি দপ্তর ইউএসসিআইএস কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন কোনো আশ্রয় আবেদন অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান বা বন্ধ না করেন। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা আবেদন প্রক্রিয়ার কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন, তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছালে থামতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘একবার সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছালে, থামুন এবং স্থগিত রাখুন।’

শুক্রবারের নির্দেশনা ও ট্রাম্পের আগের মন্তব্য সম্পর্কে এখনও খুব কম তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রাম্প বলেননি কোন কোন দেশ তার পরিকল্পনার আওতায় পড়বে। তবে এমন পদক্ষেপ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে এবং ইতোমধ্যেই জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এর বিরোধিতা করেছে।

উভয় ঘোষণাই বুধবারের প্রাণঘাতী হামলার পর এসেছে এবং এগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নিয়ে আরও কঠোর অবস্থানকে তুলে ধরছে।

অন্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ট্রাম্প অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা অভিবাসীদের গণহারে বহিষ্কার, শরণার্থী গ্রহণের সংখ্যা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সবার জন্য প্রযোজ্য স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের অধিকার বাতিলের চেষ্টা করেন।

বুধবারের গুলির ঘটনার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমন সব বিদেশিকে বহিষ্কার করা হবে যারা এখানে থাকার যোগ্য নয়।’ একই দিনে আফগানদের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করে যুক্তাষ্ট্র বলে, তাদের নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হবে। এরপর বৃহস্পতিবার ইউএসসিআইএস জানায়, তারা ১৯টি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের দেওয়া গ্রিন কার্ড পুনঃপর্যালোচনা করবে। তবে এর কারণ হিসেবে সংস্থাটি সরাসরি বুধবারের হামলার কথা উল্লেখ করেনি।

‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’
পোস্টে প্রেসিডেন্ট শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য দায়ী করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন এমন সবাইকে বের করে দেওয়া হবে যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আসলে সম্পদ নন।

তিনি বলেন, ‘সোমালিয়া থেকে আসা কয়েক লাখ শরণার্থী মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য পুরোপুরি দখল করে নিচ্ছে। এজন্য ওই অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের বিশেষভাবে কটাক্ষ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্প লিখেন, ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থগিত করব, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার হয়।’

‘তৃতীয় বিশ্ব’ শব্দগুচ্ছ অতীতে দরিদ্র, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। প্রেসিডেন্ট এর আগে আফগানিস্তানসহ আফ্রিকা ও এশিয়ার আরও ১১টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

জাতিসংঘ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করি সব দেশ, যুক্তরাষ্ট্রসহ, ১৯৫৩ সালের শরণার্থী কনভেনশনের অধীনে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করবে।’

আমেরিকান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জেরেমি ম্যাককিনি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ‘বলির পাঁঠা বানানো’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের নিউজডে অনুষ্ঠানে ম্যাককিনি বলেন, ‘হামলাকারীর উদ্দেশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে এ ধরনের ঘটনা ত্বকের রঙ জানে না, জাতীয়তা জানে না। যেকোনো পটভূমি থেকে এসে যেকেউ চরমপন্থায় জড়িয়ে পড়তে পারে বা মানসিক অসুস্থতায় ভুগতে পারে।

হামলায় সন্দেহভাজন আফগান
ওয়াশিংটন ডিসিতে গুলির ঘটনার সন্দেহভাজন রহমানুল্লাহ লাখানওয়াল ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। একটি বিশেষ কর্মসূচির আওতায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। আফগানিস্তানে যারা মার্কিন সেনাদের সঙ্গে কাজ করেন তাদের ওই সুবিধা দেওয়া হয়। সিআইএ-এর বর্তমান পরিচালক জানিয়েছেন, লাখানওয়াল পূর্বে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

ট্যাগস :

ওসমানীনগরে খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের ‘আশ্রয় আবেদন’ স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় ০২:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

অভিবাসন ডেস্ক :: ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলি করার ঘটনার পর ট্রাম্প প্রশাসন সব ধরনের ‘আশ্রয় আবেদন’ স্থগিত করেছে। এর ফলে এখন থেকে আশ্রয় আবেদন অনুমোদন বা বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)-এর পরিচালক জোসেফ এডলো এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার এক্স-এ প্রকাশিত এক পোস্টে এডলো বলেন, এই বিরতি চলবে “যতক্ষণ না আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে, প্রত্যেক বিদেশির সর্বোচ্চ মাত্রায় যাচাই ও পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।’ খবর বিবিসির

এই ঘোষণা আসে কয়েক ঘণ্টা পর, যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে ‘তৃতীয় বিশ্বের’ দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে স্থগিত হবে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প জানান, বুধবার গুলিতে আহত এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মারা গেছেন। এই ঘটনার জন্য এক আফগানকে দায়ী করা হয়েছে।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একটি দপ্তর ইউএসসিআইএস কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন কোনো আশ্রয় আবেদন অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান বা বন্ধ না করেন। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা আবেদন প্রক্রিয়ার কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন, তবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছালে থামতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘একবার সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছালে, থামুন এবং স্থগিত রাখুন।’

শুক্রবারের নির্দেশনা ও ট্রাম্পের আগের মন্তব্য সম্পর্কে এখনও খুব কম তথ্য পাওয়া গেছে। ট্রাম্প বলেননি কোন কোন দেশ তার পরিকল্পনার আওতায় পড়বে। তবে এমন পদক্ষেপ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে এবং ইতোমধ্যেই জাতিসংঘের সংস্থাগুলো এর বিরোধিতা করেছে।

উভয় ঘোষণাই বুধবারের প্রাণঘাতী হামলার পর এসেছে এবং এগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নিয়ে আরও কঠোর অবস্থানকে তুলে ধরছে।

অন্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে ট্রাম্প অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা অভিবাসীদের গণহারে বহিষ্কার, শরণার্থী গ্রহণের সংখ্যা কমানো এবং যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সবার জন্য প্রযোজ্য স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের অধিকার বাতিলের চেষ্টা করেন।

বুধবারের গুলির ঘটনার পর ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমন সব বিদেশিকে বহিষ্কার করা হবে যারা এখানে থাকার যোগ্য নয়।’ একই দিনে আফগানদের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করে যুক্তাষ্ট্র বলে, তাদের নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হবে। এরপর বৃহস্পতিবার ইউএসসিআইএস জানায়, তারা ১৯টি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা অভিবাসীদের দেওয়া গ্রিন কার্ড পুনঃপর্যালোচনা করবে। তবে এর কারণ হিসেবে সংস্থাটি সরাসরি বুধবারের হামলার কথা উল্লেখ করেনি।

‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ’
পোস্টে প্রেসিডেন্ট শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য দায়ী করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন এমন সবাইকে বের করে দেওয়া হবে যারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আসলে সম্পদ নন।

তিনি বলেন, ‘সোমালিয়া থেকে আসা কয়েক লাখ শরণার্থী মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য পুরোপুরি দখল করে নিচ্ছে। এজন্য ওই অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের বিশেষভাবে কটাক্ষ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রাম্প লিখেন, ‘তৃতীয় বিশ্বের দেশ থেকে অভিবাসন স্থগিত করব, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার হয়।’

‘তৃতীয় বিশ্ব’ শব্দগুচ্ছ অতীতে দরিদ্র, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। প্রেসিডেন্ট এর আগে আফগানিস্তানসহ আফ্রিকা ও এশিয়ার আরও ১১টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

জাতিসংঘ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনকে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করি সব দেশ, যুক্তরাষ্ট্রসহ, ১৯৫৩ সালের শরণার্থী কনভেনশনের অধীনে দেওয়া তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করবে।’

আমেরিকান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জেরেমি ম্যাককিনি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের ‘বলির পাঁঠা বানানো’ হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের নিউজডে অনুষ্ঠানে ম্যাককিনি বলেন, ‘হামলাকারীর উদ্দেশ্য এখনও জানা যায়নি। তবে এ ধরনের ঘটনা ত্বকের রঙ জানে না, জাতীয়তা জানে না। যেকোনো পটভূমি থেকে এসে যেকেউ চরমপন্থায় জড়িয়ে পড়তে পারে বা মানসিক অসুস্থতায় ভুগতে পারে।

হামলায় সন্দেহভাজন আফগান
ওয়াশিংটন ডিসিতে গুলির ঘটনার সন্দেহভাজন রহমানুল্লাহ লাখানওয়াল ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। একটি বিশেষ কর্মসূচির আওতায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। আফগানিস্তানে যারা মার্কিন সেনাদের সঙ্গে কাজ করেন তাদের ওই সুবিধা দেওয়া হয়। সিআইএ-এর বর্তমান পরিচালক জানিয়েছেন, লাখানওয়াল পূর্বে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/obhibason/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481